>> ডিমের আইরন: কোষে অক্সিজেন সরবরাহ এবং রক্ত স্বল্পতা প্রতিরোধ করে।
>> ডিমের সেলেনিয়াম: ভিটামিন ই এর সাথে মিলে এন্টি অক্সিডেন্ট হিসাবে কাজ করে যা শরীরে টিস্যূকে ভাঙ্গন রোদ করে।
>> ডিমের ফোল্যাট: নতুন কোষ গঠন ও কোষ রক্ষায় ভ’মিকা রাখে। মায়েদের গর্ভকালিন প্রাথমিক তিন মাস রক্ত স্বল্পতা পূরনে কাজ করে।
>> ডিমের জিয়েক্সেথিন: বয়সের সাথে সাথে চোখের বিভিন্ন রোগ যেমন, ছানি পড়া ও দৃষ্টি শক্তি কমে যাওয়া থেকে রক্ষা করে।
>> ডিমের ভিটামিন ‘এ’ কেরোটিনয়েড: রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, দৃষ্টি শক্তি বৃদ্ধি ও রাতকানা রোগ দুর করে।
>> ডিমের ভিটামিন ‘ই’ কোষ ও ত্বকে ফ্রি রেডিক্যাল নষ্ট করে স্কিন ক্যান্সার প্রতিরোধ করে এবং ডিমের ভিতর অবস্থিত জিংক ,
>> ডিমের ফসফরাস : মা এবং শিশুদের ইমিউন বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে বৃদ্ধি করে। ফসফরাস দাঁত ও হাড় মজবুত করে।
>> ডিমের কোলিন (Choline): ডিমের কোলিন কার্ডিওভাসকুলার সিসটেম, স্নায়ু যকৃৎ ও মস্তিস্ককে নিয়ন্ত্রন রাখে।
>> ভিটামিন বি-৬: মানুষের শরীরে ভিটামিন বি-৬ উৎপন্ন হয় না । বি-৬ ট্রিপটোফেন হজমে সহায়তা করে।
>> ভিটামিন বি-১২: খাবারকে ভেঙ্গে শক্তিতে রুপান্তরিত হতে সহায়তা করে ভিটামিন বি-১২। কেন্দ্রিয় স্নায়ু তন্ত্রের রক্ষনা বেক্ষন করে।
>> ভিটামিন ডি: রক্তরসে ক্যালসিয়াম এবং ফসফরাসের পর্যাপ্ততা বজায় রাখে। শিশুদের হাড়, দাঁতকে শক্ত ও রিকেট রোগ প্রতিরোধ করে।
>> ডিমের জিংক: জিংক মায়ের গর্ভকালিন সময়ে গুরুত্বপূর্ন ভ’মিকা পালন করে, এছাড়া শিশুদের হাড়, দাঁত, উচ্চতা বৃদ্ধিতে কাজ করে।

অনেকে শখ করে নখ বড় রাখে এবং চুলের স্বস্থ্য / সৈান্দয্য নিয়ে দুশ্চিন্তার শেষ নাই। নখ ভেঙ্গে যাওয়া থেকে রক্ষা ও কোমল মসৃন স্বাস্থ্যোজ্জল চুলের জন্য ডিমের ভিতর অবস্থিত সালফার এবং ভিটামিন ’ই’ গুরুত্বপূর্ণ ভ’মিকা রাখে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *